আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় রোসাটম ইন্টারন্যাশনাল ফিশিং টুর্ণামেন্ট ২০২২. সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বাংলাদেশ এর দুইজন মৎস্য শিকারী এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। পুরো ইভেন্ট কভার করার জন্য তাদের সাথে থাকবেন তিন সদস্যের একটি মিডিয়া গ্রুপ।
রাশিয়ার উত্তরের শহর সেইন্ট পিটার্সবার্গের পাশে গলফ অব ফিনল্যান্ডে প্রো-এ্যাংলার্স লীগ ফরম্যাটে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মোট ১২ টি দেশ থেকে প্রতিযোগীরা আসবেন এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে। সাথে থাকবেন সংশ্লিষ্ট দেশের মিডিয়া গ্রুপ। মৎস্য শিকার প্রতিযোগিতা ছাড়াও এই ট্যুরে থাকবে ব্যাপক ঘোরাঘুরি, খানাপিনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আরো অনেক কিছু। এর সবই হবে রুশ সরকারের আতিথেয়তায়।
প্রো এ্যাংলার্স লীগ সারা পৃথিবীর মধ্যে টপ লেভেল গেইম ফিশিং লীগ গুলোর একটা যা মূলত রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়। পৃথিবীর সব নামিদামি ব্র্যান্ডের ট্যাকল ও ইকুইপমেন্ট প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যেমন, দাইওয়া, শিমানো, গারমিন, লরেন্স ইত্যাদি এই লীগ স্পন্সর করে থাকে। প্রো এ্যাংলার্স লীগ এর চ্যাম্পিয়নশীপের মূল ফরম্যাট হল বোট স্পিনিং ফিশিং। আসন্ন রোসাটম ইন্টারন্যাশনাল ফিশিং টুর্ণামেন্টে প্রতিযোগীদের এই ফরম্যাটেই প্রতিযোগীতা করতে হবে। রাশিয়ার ন্যাশনাল ও রিজিওনাল চ্যাম্পিয়নরা এই প্রতিযোগিতায় রেফারির ও বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন।
দ্বিতীয় বারের মতো এধরণের একটি টুর্ণামেন্টে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে – এজন্য AIB এর পক্ষ থেকে আমরা বাংলাদেশের সকল সৌখিন মৎস্য শিকারীকে অভিনন্দন জানাই। TEAM AIB গত টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার গৌরব অর্জন করেছিল। এবারের টুর্নামেন্টের প্রতিযোগীদের তালিকা এখনও প্রকাশিত হয়নি। আমরা আশা করি সামনের প্রতিযোগিতায়ও বাংলাদেশের পতাকা TEAM AIB বহন করবে।
বাংলাদেশের গেইম ফিশিং-কে একটা অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে সেই ২০১১ সালে বাংলাদেশের প্রথম এ্যাংলিং প্ল্যাটফরম হিসেবে আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম। বাংলাদেশের গেইম ফিশিং-কে সারা বিশ্বে পরিচিত করিয়ে দেয়া ছিল আমাদের গুরুত্বপূর্ণ মিশনগুলোর একটা। এরই ধারাবাহিকতায় এদেশের গেইম ফিশিং এর সাথে পর্যটন খাতকে সম্পৃক্ত করার সকল চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
যাই হোক, এবারের টুর্নামেন্টের অংশগ্রহণকারীদের প্রতি আমাদের আগাম শুভেচ্ছা রইল। প্রতিযোগিতায় জয় পরাজয় যা-ই হোক না কেন, দেশের সম্মান যেন কোন ভাবেই ক্ষুণ্ন না হয় সে ব্যাপারে সম্ভাব্য প্রতিযোগীদের সদা সজাগ থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
Fishing with light tackles is always fun. In this video, a beautiful pangas is being landed with very simple, inexpensive and light tackles. Pasgas is a lovely fish with great fishing ability. A medium-sized pangas can put an angler into a tremendous fight.
The fishing venue of Angling in Bangladesh. We call it our laboratory. We are developing this venue for avid anglers who crave a wonderful, hassle-free day of fishing. This venue will remain open for those who want to take their passion to another level.
It is always fun to fight a big fish. But the fun is extreme if you fight a big fish with lighter tackles. Seasoned carp anglers often take this challenge of landing a fish with the lightest tackles possible. It will surely take your angling to the next level and it’ll build your confidence like nothing else. Above all, the excitement you’ll get out of it is quite inexpressible
আমাদের দেশে অনেক বিদেশি এ্যাংলার থাকেন। তারা অনেক চেষ্টা করেন মাসে দুইএকদিন কোথাও ফিশিং করতে, এটা তাদের লাইফস্টাইল এর একটা অংশ। কিন্তু বাংলাদেশে তাদের ফিশিং এর জন্য কোনও ব্যাবস্থা নেই। অনেক সুযোগ থাকা সত্যেও বাংলাদেশের পর্যটনে গেইম ফিশিং এর কোনও স্থান নেই, এটা আসলে মেনে নেয়ার মতো না।
অথচ আমরা বলি মাছে ভাতে বাঙালি বা এদেশ নদীমাতৃক দেশ। অথচ, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলো অনেক আগে থেকেই এ্যাংলিং ট্যুরিজমকে অনেক গুরুত্বের সাথে নিয়েছে। ভারত এটাকে ট্যুরিজম এর একটা অন্যতম খাত হিসেবে নিয়েছে। তাই আমাদের প্রথম প্রাইওরিটি হল বাংলাদেশএর এ্যাংলিং কে আন্তর্জাতিক এ্যাংলারদের কাছে তুলে ধরা এবং বাংলাদেশে তাদের জন্য একটা সুযোগ তৈরি করা।
It was a sudden tour to the venue of ANGLINGINBANGLADESH.COM with friends. We have been testing the feasibilities and outcomes of the venue quite extensively. We’re hoping that we’ll be able to create a healthy angling environment in Bangladesh.
We have been working on developing our own venue for almost two years. Now it has come into shape. We are currently testing different feasibilities and aspects of operating here. On November 19, 2020, we spent some time with rods and reels, and it came out wonderfully.
কার্প ফিশিং জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে ব্রিটিশ এংলারদের ভূমিকা অপরিসীম। সমগ্র ইউরোপে কার্প এংলিং এর যে রুপ আমরা দেখি সেটা মূলত ব্রিটিশ শিকারিদের কাছে থেকেই পাওয়া। ভারতীয় উপমহাদেশেও কার্প এংলিং এর গোড়াপত্তন ব্রিটিশদের মাধ্যমেই। এই আলোচনায় ব্রিটিশ তথা ইউরোপিয়ান চারের উপরে একটা ধারনা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের শিকারিদের হাত ধরে এদেশে জ্বালানি চার জনপ্রিয়তা পেয়েছে। হাতের কাছের উপকরণ, সহজ প্রস্তুত প্রনালী, অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী এবং অত্যন্ত কার্যকারী হওয়ায় এই চারের ব্যাবহার বিগত বছরগুলতে এদেশের এংলারদের মদ্যে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এই আলোচনায় আমরা জ্বালানি চারের বেসিক কনসেপ্ট ও এর ফাঙ্কশন নিয়ে নতুন শিকারিদের একটা ধারনা দেয়ার চেষ্টা করব।
জ্বালানী চার
উপকরনঃ
বেইজ মিক্সঃ
১- সরিষার খৈল – ১ কেজি
২- নারকেল এর খৈল – ৫০০ গ্রাম
৩- ঘি এর ছাকা বা গাদ – ২ কেজি
বাইন্ডারঃ
১- চিনিগুড়া চালঃ ২৫০ গ্রাম
২- চিনি/গুড় – ৫০০ গ্রাম
৩- গুড়ো দুধ – ১৫০ গ্রাম
৪- সাবু দানা – ১০০ গ্রাম
মসলাঃ
১- মহুয়া – ৫০ গ্রাম
২- এলাচ – ১০/১৫ টি
৩- দারুচিনি – ২ ইঞ্চি
৪- লতকন দানা – ২০ গ্রাম
৫- ভাদিয়ান – ১০ গ্রাম
অন্যান্যঃ
১-ঘি -২ টেবিল চামচ
২- নারকেল তেল -১০০ গ্রাম
৩- চিড়া – ৫০০ গ্রাম
প্রস্তুত প্রনালীঃ
১। একটা বাটিতে পানি নিয়ে সাবুদানা আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন এবং পরবরতিতে হাত দিয়ে কচলে যতটুকু সম্ভব মিহি করে ফেলুন।
২। বেইজ মিক্স এর উপাদানগুলো আলাদা ভাবে ভেজে নিন।
৩। রেসিপিতে বর্ণিত মসলাগুলো একত্রে গুঁড়ো করে নিন।
৪। চিনিগুড়া চাল ভালভাবে ধুয়ে একটা বড় হাঁড়িতে নিন এবং পর্যাপ্ত পানি নিন।